দক্ষিণের খবর | www.dokkhinerarthonity.com
দক্ষিণের খবর ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৮ পিএম
আপডেট: রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১১:২০ এএম
অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কিছু ভিডিওয় দাবি করা হচ্ছে, বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়ছেন। তবে অল্ট নিউজ এসব ভিডিওর একটি যাচাই করে দেখিয়েছে যে সেটি আসলে বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার মংলার একটি ফেরিঘাটের পুরোনো ভিডিও।
সাতক্ষীরা সীমান্তে জড়ো প্রায় ১৫০ জন
কাশ্মীরে পহেলগাম হামলার পর অবৈধ বাংলাদেশিদের শনাক্তকরণ এবং পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর শুরুর প্রেক্ষাপটে দেশে ফেরার সংখ্যা বেড়েছে বলে জানায় বিএসএফ। সংস্থাটির এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, শুধু দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশে ফিরছেন। তবে সাধারণত ছোট দলে ফেরার প্রবণতা থাকলেও গত দুদিনে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় বড় একটি দল জড়ো হয়েছে।
বিএসএফের দাবি, এরা দীর্ঘদিন ভারতে কোনো বৈধ নথি ছাড়াই থাকছিলেন এবং এখন স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে চান। ১৪৩ নম্বর ব্যাটালিয়নের সদস্যরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন, আঙুলের ছাপ নিচ্ছেন এবং অপরাধের অভিযোগ যাচাই শেষে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বাংলাদেশিদের বক্তব্য
হাকিমপুর চেকপোস্টের কাছে দুই দিন ধরে নারী–শিশুসহ বাংলাদেশিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা রাস্তার ধারে ব্যাগ, কম্বল ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে বসে আছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আগে ছোট দলে সীমান্ত পার হলেও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডস কড়াকড়ি বাড়ানোর পর দেশে ফিরতে ইচ্ছুকদের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে।
প্রতীক্ষমাণ ব্যক্তিদের অনেকেই স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে তারা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে থাকতেন এবং এসআইআর শুরু হওয়ায় দেশে ফিরছেন। সাতক্ষীরার মোমেনা বেগম জানান, তিনি প্রায় ১৫ বছর আগে ভারতে এসে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। শ্যামনগরের শহিদুল মল্লিক জানান, তিনি হাওড়ায় দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন এবং এখন নিজ দেশে ফিরছেন।
ভুয়া তথ্যও ছড়াচ্ছে
এসআইআর শুরু হওয়ার পর অবৈধ বাংলাদেশিদের দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি সত্য হলেও বেশ কিছু ভুল দাবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে। কলকাতার লাগোয়া এলাকায় দীর্ঘদিন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষ বসবাস করে আসছেন—এ তথ্যও আগে নিশ্চিত হয়।
অল্ট নিউজ জানায়, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি নৌকাঘাটের ভিডিওকে ভুলভাবে বাংলাদেশিদের পশ্চিমবঙ্গ ছাড়ার দৃশ্য বলে প্রচার করা হয়েছে। কিন্তু ভিডিওটি আসলে মংলা নদীর একটি ফেরিঘাটের পুরোনো সংবাদ প্রতিবেদন, যেখানে দুরবস্থা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পরিবহনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল।
এই ধরনের আরও কিছু ভুয়া ভিডিও আগেও চিহ্নিত করেছিল বিবিসি বাংলা।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক: মো. সরোয়ার হোসেন মিঠু
নির্বাহী সম্পাদক: ইমতিয়াজ আহমেদ
বার্তা সম্পাদক: নাজমুল হোসেন লাভলু
ডিজিটাল ইনচার্জ: মো.সোবাহান মিয়া
Email: dokkhinerkhobor@gmail.com
Publisher & Editor In Chief:
Contact No:+880 1717607442
Address: Shibchar Powro Super Market, 2nd Flor, Shop No.44, Shibchar Sadar, Madaripur.
স্বত্ব দক্ষিণের খবর
Developed by Vida Team